এ বছরই প্রথমবারের মতো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে এ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। আর যারা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না, তাঁদের কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, এ বছর থেকেই প্রথমবারের মতো অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে এ সুযোগ পাবেন সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা। যাঁরা কোনো কারণে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প হিসেবে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ব্রিফিংয়ে জানান, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে শুধু ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এক বছর অপেক্ষার নিয়মে পরিবর্তন
বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাঁকে পরের বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে।
এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি বাড়তি মানসিক চাপও তৈরি হয়। নতুন উদ্যোগের ফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত ফল উন্নয়নের সুযোগ পাবেন।
এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন।
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শ

