ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ব্রাইটনের কাছে ২-১ গোলে পরাজয়ের মাধ্যমে এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই হারের ফলে ৪৪ বছর পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে ইংলিশ জায়ান্টরা।
২০২৫–২৬ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৪০টি ম্যাচ খেলতে পারবে ইউনাইটেড। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় না থাকা এবং দুই ঘরোয়া টুর্নামেন্ট—এফএ কাপ ও কারাবাও কাপ—দুটো থেকেই প্রথম ধাপে ছিটকে পড়ায় এখন তাদের সামনে কেবল প্রিমিয়ার লিগের লড়াইই বাকি রয়েছে।
১৯৮১–৮২ মৌসুমের পর এই প্রথমবার একই মৌসুমে দুই ঘরোয়া কাপ থেকেই শুরুতেই বিদায় নিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এর আগে কারাবাও কাপে লিগ টু ক্লাব গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।
কোচ সংকট ও বাজে ফর্ম
দলের কোচ সংকটও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রুবেন আমোরিম বরখাস্ত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী কোচ ড্যারেন ফ্লেচারের অধীনে খুব একটা ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ইউনাইটেড। সাম্প্রতিক সাত ম্যাচে দলটির জয় মাত্র একটি।
পরিসংখ্যান বলছে, প্রিমিয়ার লিগে যেসব দল একটি মৌসুমে মাত্র ৪০টি ম্যাচ খেলে, তাদের বেশিরভাগই লিগ টেবিলের মাঝামাঝি বা নিচের দিকে অবস্থান করে মৌসুম শেষ করেছে। সর্বশেষ ২০২২ সালে নিউক্যাসল ইউনাইটেড ৪০ ম্যাচ খেলে লিগ শেষ করেছিল ১১তম স্থানে।
ইউরোপিয়ান স্বপ্ন অনিশ্চিত
বিশ্লেষকদের মতে, এখনও ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলার গাণিতিক সম্ভাবনা থাকলেও বর্তমান পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ট্রফির আশা প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া এই মৌসুমে ইউনাইটেডের সামনে এখন মূল লক্ষ্য একটাই—সম্মান রক্ষা এবং যেকোনোভাবে ইউরোপিয়ান টিকিট নিশ্চিত করা।

