Friday, January 16

কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি ছাড়তে কিছু মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতার অংশ হিসেবে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু মার্কিন সামরিক সদস্যকে সরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ করতে পারে—এমন আশঙ্কার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

রয়টার্স জানায়, এ বিষয়ে দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও রয়টার্সের মন্তব্য চাওয়ার অনুরোধে সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেয়নি।

আল উদেইদ বিমানঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।

রয়টার্সকে এক কূটনৈতিক সূত্র জানান, এটি কোনো বাধ্যতামূলক সরিয়ে নেওয়া বা ইভাকুয়েশন নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান বা ‘পোশচার’ পরিবর্তনের অংশ। তবে এ পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এর আগে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে সামরিক হামলা চালায়, তাহলে তেহরান আঞ্চলিক দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পরই এমন সতর্কবার্তা আসে।

উল্লেখ্য, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বিমান হামলা চালানোর এক সপ্তাহেরও বেশি আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে কিছু সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

Leave A Reply


Math Captcha
− 1 = 7