Friday, January 16

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়ায় ডেনমার্ক একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। তিনি বলেন, ন্যাটোর ভেতরে থেকে আরেকটি মিত্র দেশকে এভাবে হুমকি দেওয়ার ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

স্থানীয় সময় রোববার এক রাজনৈতিক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যে বিষয়টি ঝুঁকির মুখে রয়েছে, তা চোখে দেখা সংকটের চেয়েও অনেক বড়। যদি যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিমা জোট থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, ন্যাটোর সহযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায় বা কোনো মিত্র দেশকে হুমকি দেয়, তাহলে পুরো ন্যাটো ব্যবস্থাটিই ভেঙে পড়তে পারে।’

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে সম্ভাব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগেই এমন মন্তব্য করলেন মেটে ফ্রেডেরিকসেন। ধারণা করা হচ্ছে, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।

এর আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘তারা পছন্দ করুক বা না করুক, গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নেবে। ভালোভাবে না হলেও কঠিন উপায়ে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কিছু একটা করতে যাচ্ছি।’

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয়ই ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ অবস্থায় গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন দেশের বাকি চারটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশ হতে চাই না—আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডারদেরই নির্ধারণ করতে হবে।’

Leave A Reply


Math Captcha
+ 28 = 38